যমুনা লাইফ ইন্সুরেন্সের ভারপ্রাপ্ত এম ডি ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি-


সাম্প্রতিক সময়ে যমুনা লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া গেছে, প্রতিষ্ঠানটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগে বীমা নিয়ন্ত্রণ সংস্থার নিষেধাজ্ঞার কারণে ফরিদুল আলম কে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেন কর্তৃপক্ষ ,
দায়িত্ব গ্রহণ করার সাথে সাথে সারা বাংলাদেশের কর্মী কর্মকর্তা ও ইনডোর কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি যোগ সাজোসের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করেন, কর্মী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা দিয়ে টাকা সংগ্রহ করেন,এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসেবে জমা না দিয়ে সরাসরি নিজের ব্যাংক হিসেবে জমা করেন, প্রতিষ্ঠানটির নতুন সংগঠন সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রণোদনা সার্কুলারের উপর ভিত্তি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে, এক তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে যমুনা লাইফের কক্সবাজার বার্ষিক সম্মেলনে কিছু কর্মকর্তা সম্মেলনে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন, একটি বিশেষ কারণে ওই কর্মকর্তাগণ সম্মেলনে যেতে পারেন নাই, কিন্তু চতুর এই ফরিদুল আলম কর্মকর্তাদের বিপরীতে টাকা উত্তোলন করে নিজেই আত্মসাৎ করেছেন, তার অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কোন প্রকার ব্যবসা-বাণিজ্য না থাকার পরেও বেতন ভাতা অফিস ভাড়া স্টাফ এর বেতন ড্রাইভার এর বেতন সহ বিভিন্ন প্রকার খরচ করেই যাচ্ছেন, প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম শূন্যের কোঠায় অথচ তার বিলাস বহুল জীবন যাপন, কর্মী কর্মকর্তাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে।
নতুন ব্যবসার কথা বলে বিভিন্ন সময় মেয়েদের নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণ এখন সকলের মুখে মুখে, আর এই সবকিছুর মূলে রয়েছে তার নারীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক
এক বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে যমুনা লাইফে যোগদানের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটির রিসিপশনে থাকা মেয়েটি চাকরি ছেড়ে দেয়, পরবর্তীতে জানা গেছে ফরিদুল আলম যেখানে চাকরি করবেন সেখানে ওই মেয়ে চাকরি করবেন না,
এরপর তিনি রংপুর অঞ্চলের সফরে গেলে জয়পুরহাট পাঁচবিবি অঞ্চলের একটি সংগঠনের নারী ডিজিএম এর সাথে পরিচয় হয়, সেখান থেকে প্রেম, এরপর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্রমণ অনুমোদন নিয়ে বিমানের টিকিট সহ জরুরী ভিত্তিতে সৈয়দপুর যাতায়াত করেন, কোন প্রকার মিটিং বা উন্নয়ন সভা না করে মেয়েটির গ্রামের বাড়ি গিয়ে মেয়ের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে মেতে ওঠেন, একপর্যায়ে গ্রামবাসী এবং সংগঠনের ভিতর জানাজানি হয়ে গেলে ওই মেয়েকে তিনি বিয়ে করতে বাধ্য হন,
এছাড়াও তিনি পূর্বের কোম্পানিতে যেমন সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্সুরেন্স,হোমল্যান্ড লাইফ এবং গোল্ডেন লাইফে থাকাকালীন অবস্থায় একাধিক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন , এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তিনি চাকরিচ্যুত হন,
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
বীমা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন কুলিয়ারচর গ্রুপের চেয়ারম্যান মরহুম মুসা মিয়ার হাতেগড়া এই প্রতিষ্ঠানটি আজ ধ্বংসের পথে, বিমা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা IDRA এর অসহযোগিতা, প্রতিষ্ঠানটির শুরু থেকে কিছু কর্মকর্তার অসাদাচরণ, দুর্নীতি, আত্মীয়করণ,এবং গ্রুপিং এর কারণে সাজানো-গোছানো এই প্রতিষ্ঠানটি আজ আলোর মুখ দেখতে পারছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু কর্মকর্তা বলেন আমরা প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকেই আছি সাজানো গোছানো এই প্রতিষ্ঠানটি চোখের সামনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, পরিচালনা পর্ষদ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি সময় উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তাহলে অচিরেই কয়েক লক্ষ্য গ্রাহক হুমকির মুখে পড়বেন।







